কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩ এ ০৯:৩৭ PM

বাতায়নের ঘটনাতুঞ্জ

কন্টেন্ট: পাতা


মুক্তিযুদ্ধ

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়ন প্রকাশ্যে এবং গোপনে ভূমিকা রেখেছে। মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে হাড়িয়ারকুঠিবাসীর স্বাধীনতা আন্দোলনের পক্ষ্যে অবস্থান ছিল। এই ইউনিয়নের প্রবেশমুখ কিসামত মেনানগর বানিয়াপাড়ায় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় এক মর্মান্তিক ঘটনা সৃষ্টি হয়।


১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ্যে থাকার অপরাধে কিসামত মেনানগর বানিয়াপাড়ার অজিত কুমার রায়, দেবদাস এবং নারায়ণ চন্দ্র রায়কে পাক হানাদার বাহিনী স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগীতায় গাছে বেঁধে তাদের গুলি করে হত্যা করে। শুধু হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি পাক হানাদার বাহিনী এবং রাজাকারেরা তাদের ঘর বাড়ি ভাংচুর এবং লুটপাটও করেছিল। এই মর্মস্পর্শী স্মৃতিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য অত্র ইউনিয়নের জননন্দিত চেয়ারম্যান জনাব কুমারেশ রায় উক্ত স্থানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরী করেন।




অত্র হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নে একজন বীরমুক্তি যোদ্ধা রয়েছেন। নিম্নে তাঁর তথ্য দেওয়া হলো।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহিদুল্যাহ্ পাটোয়ারী বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অকুতোভয় বীর যোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা দেখিয়েছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধ মোঃ শহিদুল্যাহ্ পাটোয়ারী ৪ নং হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কিসামত মেনানগর (পাটোয়ারীপাড়া) গ্রামে ০৯/১১/১৯৫৫খ্রিঃ জন্ম গ্রহন করেন।


তাঁর বাবার নাম মরহুম ডা: ইব্রাহীম এবং মাতার নাম মরহুম শহিতোন বেগম। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নং-৯৪২, মুক্তিবার্তা (লাল বই) নং-০৩১৩০৫০০০৮, কল্যাণ ট্রাক্ট নং-৩৮৩৬২, ভারতীয় তালিকা নং (খন্ড-৫-বই-১৫৬) ৩৮৩৬২, জাতীয় তালিকা নং-২ (দ্বিতীয় খন্ড বই), মুজিব ক্যাম্প (ট্রেনিং সেন্টার) বডি নং ৫৮/৩২, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রিয় কমান্ড কাউন্সিল আই-ডি নং-১২২০২। তিনি ৬ নং সেক্টেরের অধীনে যু্দ্ধ করেন।


এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন