মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভূমি উন্নয়ন কর ও বিভিন্ন ফি

 

৪ নং হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়ন

ডাক: ডাংগীরহাট,উপজেলা: তারাগঞ্জ, জেলা: রংপুর।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

ক্রমিক নং

সেবার নাম

সেবা প্রদানের সময় সীমা

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের স্থান

০১

ভূমি উন্নয়ন কর (কৃষি ও অকৃষি)

আদায়

০১ জুলাই হতে ৩০ জুন (এক আর্থিক বছর)

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নীতি মালা অনুসারে।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস

(সংশ্লিষ্ট)

০২

পেরী-ফেরী ভূক্ত বাজারের অস্থায়ী একখানা লীজ নবায়ন।

 

অনুর্ধ্ব ১৫ দিন

 

প্রকৃত ব্যবসায়ী ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। নীতিমালা অনুযায়ী প্রস্তাব উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রতিবেদনের আলোকে লীজের শর্তভঙ্গ না করলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে লীজমানি গ্রহণপূর্বক নবায়ণ করা হয় এবং ডিসিআর প্রদান করা হয়।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস।

উপজেলা ভূমি অফিস

 

০৩

অর্পিত সম্পত্তির নবায়ন

 

অনুর্ধ্ব ১৫ দিন

ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে লীজের শর্তভঙ্গ না করলে সরকারী নীতি মালার আলোকে লীজমানি গ্রহণপূর্বক নবায়ণ করা হয় এবং ডিসিআর প্রদান করা হয়।

গনপ্রজাতন্তী বাংলাদেশ সরকার

ভুমি মন্ত্রণালয়

স্বারক নং-ভু:ম:/শা-৯/(বিবিধ)/১৩/০৯-৩৮৫                                        তারিখ: ০৫-০৪-১০ খ্রিষ্টাব্দ

পরিপত্র

১।      The State Acquisition & Tenancy Act, 1950[28 of 1951] এর ১৪৩ ধারা মোতাবেক জমির খতিয়ান সঠিকভাবে সংরক্ষনের উপর ভুমি প্রশাসন ব্যবস্থাপনা বহুলাংশে নর্ভরশীল।উত্তরাধিকার বা রেজিষ্ট্রি দলিল এবং অন্যন্যা সূত্রের হস্তান্তরের ফলে নামজারি-জমাভাগ, জমা একত্রিকরনের নিমিত্তে সরকার একটি নির্ধারিত নামজারি-জমাভাগের আবেদন ফরম প্রস্তুত করেছে (সংযুক্ত)।নির্ধারিত ফরমে আবেদন কারী অথবা তার মনোনীত প্রতিনিধির নিকট হতে আবেদন গ্রহন করতে হবে।

 

২।      উক্ত ফরমে এসএ এবং আরএস খতিয়ান অথবা দাগ এলাকা ভিত্তিক জরিফের ফলে ভিন্নতর হতে পারে, যা ফরমে উল্লেখ করতে হবে।আবেদনকারী জমির খতিয়ানের ফটোকপি/সার্টিফাইট কপি ওয়ারিশ সনদপত্র (অনধিক ৩ মাসের মধ্যে ইস্যূকৃত) মূর দলিলের সার্টিফাইট/ফটোকপি,বায়া/পিট দলিল এর সার্টিফাইট/ফটোকপি, ভুমি উন্নয়নকর, পরিষোদের দাখিলা তফসিলে বর্ণীত চৌহদ্দিসহ কলমি নক্সা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আদালতের রায়/আদেশ/ডিক্রির সার্টিফাইট কপি প্রদান করতে হবে।

 

৩।      নামজারি-জমাভাগের আবেদনসমূহ যথাযথ ক্রম গ্রহনের পরপরেই ক্রমানুসারে সূনির্দিষ্ট রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।লিপিবদ্ধ ক্রমের ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না।

 

৪।      নামজমা-জমাভাগ বা জমা একত্রিকরনের ফি বাবদ সর্বমোট ২৫০/=(দুইশত পঞ্চাশ)টাকা আদায় করতে হবে।তবে বিবাদীর সংখ্যা চার এর অধিক হলে প্রতি জনের নোটিশ জারির জন্য আরও অতিরিক্ত ০.৫০ টাকা হিসেবে জমা আদায় করতে হবে।

 

৫।      মহানগরের ক্ষেত্রে ৬০ কার্যদিবস এবং অন্যন্যা ক্ষেত্রে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে নামজারি-জমাভাগ নিস্পত্তি করতে হবে।আবেদন না মঞ্জুর হলে কারন সহ তা আবেদনকারীকে অবহিত করতে হবে।

 

৬।      প্রয়োজনীয় সহযোগীতার জন্য আবেদনকারী সহকারী কমিশনার(ভুমি)এর সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন। সহকারী কমিশনার(ভুমি) এর নিকট হতে কোন সহযোগিতানা পেলে তাৎক্ষনিকভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার অথবা জেলা প্রশাসক এর নিকট লিখিত আবেদন জানাতে পারবেন।

 

৭।      সকল মহানগরীর পেন্ডিং নামজারি-জমাভাগ মোকদ্দমা সমূহ জরুরী ভিত্তিতে একটি ক্রাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিস্পত্তির সকল  বিভাগীয় কমিশনারগন ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। পেন্ডিং মামলা বছর এবং ক্রমঅনুযায়ী নিস্পত্তি করতে হবে।

 

৮।      নামজারি-জমাভাগ মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রাপ্ত আবেদনের সংখ্যা, নিস্পত্তির সংখ্যা, পেন্ডিং সংখ্যা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ পূর্বক সহকারী কমিশনার(ভুমি) সাপ্তহিক ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসিক ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নিকট, জেলা প্রশাসক মাসিক ভিত্তিতে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট এবং বিভাগীয় কমিশনার ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ভুমি মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন প্রেরন করবেন।

৯। নামজারি-জমাভাগ সম্পন্ন হওয়ার পর অবশ্যই রেকর্ড সংশোধন করতে হবে। সহকারী কমিশনার(ভুমি) কার্যালয়ের রেকর্ড সহকারী কমিশনার(ভুমি)সংশোধন করবেন। ইউনিয়ন ভুমি অফিসের রেকর্ড সমূহ কানুনগো সংশোধন করবেন। জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর পরিদর্শনের সময় বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

১০। নামজারি-জমাভাগ, জমা একত্রিকরন সম্পর্কিত নামজারি ফরম এর সর্বাধিক নির্দেশনার আলোকে কার্য সম্পাদন করা হচ্ছে কি না তা মনিটর করার জন্য ভুমি সংস্কার বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ , বিভাগীয় কমিশনার, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) এবং রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর ব্যাপকভাবে তার আওতাধীন এলাকা সফর করেনামজারি কার্যক্রমের যথাযথ বাস্তবায়ন তদারক করবেন এবং বিভাগীয় কমিশনার গন প্রতি মাসে মন্ত্রণালয়ে এ সম্পর্কিত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

১১। এই বিষয়ে কর্মকর্তা/কর্মচারীদেও কোন শৈথিল্য দেখা গেলে বিধি মোতাবেক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

১২। সরকারী সম্পতি না হলে সর্বশেষ জরিপের প্রস্ত্ততকৃত রেকর্ডের ভিত্তিতে নামজারি সম্পন্ন করতে হবে।

১৩। এই পরিপত্রে উল্লেখিত বিষয়ের সংগে সংগে সাংঘর্ষিক অন্যন্যা পরিপত্র/নির্দেশাবলীর সংশ্লিষ্ট অংশটুকু বাতিল বলে গণ্য হবে।

 

 

        স্বাক্ষরিত/-

(মো: আতাহারুল ইসলাম)

          সচিব

     ভুমি মন্ত্রণালয়

 

 

ইউনিয়ন ভূমি অফিস।

উপজেলা ভূমি অফিস

 

মিউটেশন (নামজারী) জমা ভাগ ও জমা একত্রিকরন সংক্রান্ত নিয়মাবলী

মিউটেশনের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর দরখাসত্ম দাখিল করতে হবে।

মিউটেশনের আবেদনের সাথে নিম্ন বর্ণিত কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।

(ক) প্রযোজ্য ক্ষেত্রেঃ  ১। ক্রয় ও প্রয়োজনীয় বায়া দলিলের কপি। ২। ওয়ারিশ সনদপত্র  ৩। হেবা দলিলের কপি এবং সকল রেকর্ড বা পর্চা খতিয়ানের সার্টি ফাইড কপি। ৪। সর্বশেষ জরিপের পর থেকে বায়া /পিট দলিল এর সার্টি ফাইড/ফটোকপি

৫। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের দাখিলা ।  ৬। তফফিল বর্ণিত চৌহদ্দিসহ কলমি নকসা ০১ কপি।

(খ) মিউটেশনের খরচঃ

(ক) আবেদন বাবদ কোর্ট ফি = ৫/- (পাঁচ টাকা)

(খ) নোটিশ জারী ফি = ২/- (দুই টাকা) (অনাধিক ৪ জনের জন্য ) চার জনের অধিক প্রতিজনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসাবে আদায় করা হবে।

(গ) রেকর্ড সংশোধন ফি = ২০০/- (দুইশত) টাকা।

(ঘ) প্রতিকপি মিউটেশন খতিয়ান ফি = ৪৩/- (তেতালি­শ) টাকা।

সর্বমোট= ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা + চার জনের অধিক হলে নোটিশ জারী ফি প্রতিজনের জন্য আরো ০.৫০ টাকা হিসেবে আদায় করা হবে।

বিঃদ্রঃদরখাস্ত জমা দেওয়ার দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে মিউটেশন কেস নিষ্পত্তি না হলে এবং উলে­খিত খরচের অতিরিক্ত ফি কেউ দাবী করলে সহকারী কমিশনার (ভূমি)/ উপজেলা নির্বাহী অফিসার/রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অথবা জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

ছবি



Share with :

Facebook Twitter